ঈমানের সাথে সম্পৃক্তা ও জান্নাত


ভালবাসা’ আমাদের ঈমানের সাথে সম্পৃক্ত: এ ভালবাসা পৌঁছিয়ে দেয় জান্নাত পর্যন্ত


‘ভালবাসা’ আমাদের ঈমানের সাথে সম্পৃক্ত: এ ভালবাসা পৌঁছিয়ে দেয় জান্নাত পর্যন্ত

ইসলাম বলে, পারস্পারিক ভালবাসা ছাড়া ‘ঈমান’ পূর্ণতাই পাবে না আর ঈমান ছাড়া জান্নাতেও প্রবেশ করা সম্ভব হবে না। তাই তো কিভাবে ভালবাসা সৃষ্টি করতে হয়, কিভাবে ভালবাসা বৃদ্ধি করতে হয় সেটাও রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম আমাদের শিক্ষা দিয়েছেন।

দেখুন, নিচের হাদীসগুলো:

তিনি বলেছেন: “তোমরা জান্নাতে প্রবেশ করতে পারবে না যতক্ষণ না ঈমান আনো। আর তোমরা (পূর্ণ) ঈমানদার হতে পারবে না যতক্ষণ না একে অন্যকে ভালবাসবে।

আমি কি তোমাদেরকে বলে দিব না, কী করলে তোমাদের মধ্যে পারস্পারিক ভালবাসা সৃষ্টি হবে? তা হল, তোমরা পরস্পরে বেশি বেশি সালাম বিনিময় কর।” (ইসলামিক ফাউন্ডেশন | সহীহ মুসলিম | অধ্যায়ঃ ১/ কিতাবুল ঈমান | হাদিস নাম্বার: 100)

তিনি আরও বলেন: “তোমরা একে অপরকে উপহার প্রদান কর তাহলে তোমাদের  মধ্যে ভালবাসা সৃষ্টি হবে।” (মুয়াত্তা মালিক:১৪১৩)

সুবহান আল্লাহ!! ইসলামে ভালবাসার গুরুত্ব কত!! আল্লাহর জন্য যে ভালবাসা হয় সেখানে কোন ধান্ধা ও লালসা প্রবেশ করতে পারে না। প্রিয় রাসূল সা. কে ভালবাসা আমাদের জীবনকে বদলে দেয়। পিতা-মাতার প্রতি শ্রদ্ধাপূর্ণ ভালবাসা, স্ত্রীর প্রতি এক বুক প্রেম, সন্তান-সন্ততির প্রতি হৃদয় উজাড় করা স্নেহ ও মমতাময় ভালবাসা, প্রতিটি মুমিনকে ঈমানী ভালবাসা... এগুলো তো ইসলামের শিখানো ভালবাসা। এ ভালবাসা কত পবিত্র! কত মধুর!! এই ভালবাসার সিঁড়ি বেয়ে আমরা জান্নাত পর্যন্ত পৌঁছতে চাই।

আর ওরা চায় তথাকথিত ‘ভালবাসা দিবস’ এর নামে বেহায়াপনা, নোংরামি, লালসা ও শয়তানের ফুল বিছানো পথে নামিয়েে আমাদেরকে জাহান্নামের অন্ধকার কুপে নিক্ষেপ করতে।

হে আল্লাহ, অবুঝদেরকে তুমি বুঝ দান কর। আর জাতিকে রক্ষা কর, শয়তানের কূটকৌশল থেকে। আমরা যেন পরস্পরকে ভালবাসতে পারি কেবল তোমার সন্তুষ্টির উদ্দেশ্যে; যে ভালবাসা আমাদেরকে পৌঁছিয়ে দিবে জান্নাতের ফুল বাগিচায়। আমীন।

© আব্দুল্লাহিল হাদী বিন আব্দুল জলীল