ইসলাম যেভাবে প্রতিষ্ঠিত হয়েছে আরবে । ইসলামী ইতিহাস আদি আরব জাতি । নবী মুহাম্মদ (সা) এর দাওয়াতের সফলতা




দাওয়াতের সফলতা 


নবিজির দাওয়াতি কাজ যতটা সফল হয়েছিল, পৃথিবীর ইতিহাসে আর কোনো মিশন কিংবা আন্দোলন ততটা সফল হয়নি। কারণ, নবিজির আহ্বান ছিল সরল-সঠিক ও স্পষ্ট যুক্তিগ্রাহ্য। মানুষ সহজেই হৃদয়ঙ্গম করতে পারত তাঁর মুখনিঃসৃত অমিয় বাণী। ইসলাম এমন একটি সরল নীতির ওপর প্রতিষ্ঠিত, দুনিয়ার কোনো কিছুই যেখান থেকে মানুষকে পথচ্যুত করতে পারে না।



 চরিত্রগতভাবে যারা মারাত্মক দ্বিমুখী এবং দুনিয়ার প্রতি মারাত্মক মোহগ্রস্ত, কেবল তাদের পক্ষেই ইসলামের সমালোচনা করা সম্ভব। যুগে যুগে এই ধরনের মানুষরাই ইসলামের বিরোধিতা করেছে । তারা মনে করত, এই পার্থিব জীবনে ইসলাম নিতান্তই একটি অপ্রয়োজনীয় বিষয় এবং মুহাম্মাদ তাঁর দাওয়াতি কাজে যে সফলতা অর্জন করেছিলেন, তার পুরোটাই মিথ্যা। 



তারা মনে করত; ইসলাম প্রতিষ্ঠিত হয়েছে তরবারির মাধ্যমে, মানুষকে নিজ আদর্শের দিকে আকৃষ্ট করেছে বেহেশতি নিয়ামত, মদ ও নারীর প্রলোভন দেখিয়ে। আবার কেউ কেউ দাবি করে সন্ত্রাসবাদের মাধ্যমে ইসলাম প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। তারা মূলত জানেই না, সন্ত্রাসবাদ কাকে বলে। কোনো ব্যক্তি বা গোষ্ঠী তার সাঙ্গপাঙ্গ নিয়ে অন্যায়ভাবে অসহায় দুর্বলদের ওপর ঝাঁপিয়ে পড়লে সেটাকে বলে সন্ত্রাসবাদ। 



কিন্তু যখন শত শত মানুষ একটি নতুন ও সঠিক ধর্ম গ্রহণ করার ফলে সমাজের বিত্তশালীদের অত্যাচারের শিকার হয়, তখন কোনোভাবেই সেটিকে সন্ত্রাসবাদ বলা চলে না। গোড়ার দিকে ইসলাম গ্রহণ করার ফলে নবদীক্ষিত মুসলমানরা জালিমদের ভয়াবহ অত্যাচারের মুখোমুখি হতে হয়েছে। পালটা উত্তর দেওয়া তো দূরের কথা, নিজেরা নিজেদের ব্যথাটুকু পর্যন্ত স্বাধীনভাবে প্রকাশ করতে পারত না তারা। 



অথচ জালিমের অত্যাচার থেকে রেহাই পেতে তাদের নিজ মাতৃভূমি ছাড়তে হয়েছে, রাতের অন্ধকারে স্ত্রী-সন্তানসহ পাড়ি জমাতে হয়েছে দূর পরবাসে। মানুষ তরবারির জোরে ইসলাম গ্রহণ করেননি। কারণ, নবিজি যখন ইসলাম প্রচার করছিলেন, তখন তিনি ছিলেন নিরস্ত্র ও অসহায়; বরং ইসলামের শত্রুরা তখন ছিল সশস্ত্র এবং সমাজের সর্বোচ্চ অবস্থানে।



কিন্তু কাফির-মুশরিকদের এত সব সশস্ত্র বিরোধিতা সত্ত্বেও বিপুলসংখ্যক নিরস্ত্র মানুষ ইসলাম ধর্ম গ্রহণ করে । সংখ্যায় ও শক্তিতে নিজেদের একটি স্বতন্ত্র দল হিসেবে গঠন করার পরই কেবল তারা তরবারি হাতে তুলে নিয়েছিল। আর সেটি নিয়েছিল কেবল সন্ত্রাসবাদ ও শত্রুপক্ষের মুহুর্মুহু আক্রমণের মোকাবিলায়।



ইতিহাস পর্যালোচনা করলে দেখা যায়, নবিজি কোনো যুদ্ধই নিজে থেকে শুরু করেননি; বরং তাঁর জীবনের প্রতিটি যুদ্ধ ছিল আত্মরক্ষামূলক। আর মানুষ যদি শুধু বেহেশতি নিয়ামত, মদ ও নারীর লোভে ইসলাম গ্রহণ করত, তবে সর্বাগ্রে নবিজির দাওয়াত কবুল করত সমাজের দুশ্চরিত্র ও ধনী শ্রেণির মানুষেরা। নবিজির আহ্বানে লম্পট কুরাইশরা সাড়া দিত সানন্দে। বি জিনিয়াস উইথ মুহাম্মদ pdf book



নবিজির আহ্বানে যারা বাধা দিয়েছিল, তারা প্রত্যেকেই ছিল পার্থিব ভোগ-বিলাসিতায় মাত্রাতিরিক্ত আগ্রহী। উদাহরণস্বরূপ আবু লাহাবের কথা বলা যেতে পারে। আবু লাহাব নিজে তো ইসলাম গ্রহণ করেইনি; বরং অন্যদের ইসলাম গ্রহণের পথে বাধার দেয়াল তুলে দাঁড়িয়েছিল । ব্যক্তিজীবনে সেও ছিল বিলাসিতাপ্রবণ। এ কারণেই ইসলাম গ্রহণকারী ও প্রত্যাখ্যানকারীদের মধ্যে আমরা একটি মৌলিক পার্থক্য দেখতে পাই।



 আর তা হলো-ভালো-মন্দ ও ন্যায়-অন্যায়ের পার্থক্য। এজন্যই মুসলিম ও মুশরিকদের সামগ্রিক জীবনযাপনে ছিল যোজন যোজন ফারাক। সুতরাং কোনোভাবেই ইসলাম গ্রহণের ব্যাপারটিকে শুধু বেহেশতি নাজ নিয়ামত ও নারী-মদ প্রভৃতির প্রতি আকর্ষণের সাথে মেলানো যায় না। আর ইসলাম যে দুর্বলদের হুমকি-ধমকি ও তরবারির জোরে প্রতিষ্ঠিত হয়নি, তার সব থেকে বড়ো প্রমাণ তো উমর (রা.)-এর ইসলাম গ্রহণের ঘটনা। 



ইতিহাসবিদ ইবনে ইসহাক বলেন-একদিন উমর নবিজিকে হত্যা করার জন্য খোলা তরবারি হাতে বেরিয়ে পড়ে। নবিজি তখন তাঁর চাচা হামজা, আবু বকর, আলি (রা.) সহ ৪০ জন সাহাবি নিয়ে সাফা পর্বতের নিকটবর্তী একটি বাসায় অবস্থান করছিলেন। তখনও তাঁরা অন্যান্য মুসলিমের সঙ্গে ইথিওপিয়ায় হিজরত করেননি। 



পথিমধ্যে উমরের দেখা হয় নাইম ইবনে আবদুল্লাহর সাথে। তিনি তাকে জিজ্ঞেস করলেন-‘হে উমর! কোথায় চলেছ তুমি?’ উমর জবাব দিলেন—‘আমি আবদুল্লাহর পুত্র মুহাম্মাদকে হত্যা করতে যাচ্ছি; যে কুরাইশদের দ্বিখণ্ডিত করে দিয়েছে, উপহাস ও অপমান করেছে আমাদের ধর্মগুরু এবং উপাস্য দেব-দেবীদের।’ নাইম বললেন—‘তুমি তো নিজেকেই বোকা বানাচ্ছ হে উমর! বি জিনিয়াস উইথ মুহাম্মদ pdf book



 তুমি কি ভেবেছ, মুহাম্মাদ -কে হত্যা করলে আবদে মানাফ-এর বংশধররা তোমাকে এমনি এমনি ছেড়ে দেবে? তুমি বরং প্রথমে নিজের ঘর সামলাও।' উমর জিজ্ঞেস করলেন—‘আমার ঘরে আবার কী ঘটল?’ নাইম বললেন—‘তোমার বোন ফাতিমা বিনতে খাত্তাব এবং ভগ্নিপতি সাইদ ইবনে জায়েদ ইসলাম ধর্ম গ্রহণ করে নিয়েছে।' এ কথা শুনে উমর তাঁর গতিপথ পরিবর্তন করে রওয়ানা দিলেন বোনের

বাড়ির উদ্দেশে।



 তিনি যখন বাড়ির একদম নিকটবর্তী, তখন ভেতর থেকে কিছু একটার আওয়াজ শুনতে পেলেন। মূলত তখন কুরআনের কিছু অংশ তিলাওয়াত করছিলেন খাব্বাব (রা.)। উমর ঘরে প্রবেশ করার সঙ্গে সঙ্গে তাঁর বোন ফাতিমা (রা.) ভয় পেয়ে কুরআনের কপিটি ঊরুর নিচে লুকিয়ে ফেললেন । উমর প্রশ্ন করলেন—‘আমি কী শুনতে পেলাম?’ তাঁরা বললেন—‘কিছু না।' তিনি বললেন- ‘আল্লাহর কসম! আমি শুনতে পেয়েছি। এও জানতে পেরেছি, তোমরা ইসলাম গ্রহণ করে নিয়েছ।' 



এ কথা বলে তিনি তাঁর সজোরে আঘাত করেন ভগ্নিপতি সাইদ ইবনে জায়েদ (রা.)-কে । ঘটনার আকস্মিকতায় স্বামীকে রক্ষা করতে এগিয়ে যান ফাতিমা (রা.); কিন্তু উমর তাঁকেও আঘাত করে দূরে সরিয়ে দেন। ফলে তাঁর মাথা থেকে রক্তপাত শুরু হয়। বোনের রক্ত দেখে উমরের হুঁশ ফেরে। 



তিনি বলেন- “তোমরা কী পাঠ করছিলে? আমাকে তার কিছু অংশ দেখাও। আমি দেখতে চাই, মুহাম্মাদ কী নিয়ে এসেছে।' উমর ছিলেন একজন শিক্ষিত ব্যক্তি। ফাতিমা (রা.) তাঁকে বললেন—‘আমাদের ভয় হচ্ছে, আপনি যদি এটা নষ্ট করে ফেলেন!' তিনি তাঁর উপাস্য দেব-দেবীর নামে কসম খেয়ে বললেন—‘ভয় কোরো না! পড়ার পর পুনরায় এটি তোমাদের কাছে ফিরিয়ে দেবো।' বি জিনিয়াস উইথ মুহাম্মদ pdf book



উমরের কথা শুনে তাঁর বোনের মনে হলো হতে পারে এটা পড়ার পর তিনি ইসলাম গ্রহণ করে নেবেন। তিনি বললেন-‘ভাই! তুমি তো অপবিত্র। আর আমরা যা পড়ছিলাম, পবিত্র হওয়া ছাড়া সেটা স্পর্শ করা যায় না।' অতঃপর উমর গোসল করে এসে কুরআনের কপিটি হাতে তুলে নিলেন । সূরা ত্ব-হার কিছু অংশ পাঠ করে বলে উঠলেন—‘কী সুন্দর এটা! উমরের কথা শুনে খাব্বাব (রা.) বললেন—‘হে উমর! আমার মনে হচ্ছে, আল্লাহ তায়ালা তাঁর রাসূল -এর দুআ কবুল করে নিয়েছেন। 



কেননা, রাসূল দুআ করেছিলেন—“হে আল্লাহ! আবুল হাকাম ইবনে হিশাম অথবা উমর ইবনে খাত্তাবের দ্বারা ইসলামকে শক্তিশালী করো। অতঃপর উমর বললেন 'আমাকে মুহাম্মাদ -এর কাছে নিয়ে চলো; আমি ইসলাম গ্রহণ করব।' খাব্বাব (রা.) জানালেন-‘নবিজি সাফা পর্বতের নিকটবর্তী একটি বাসায় তাঁর সঙ্গীদের নিয়ে অবস্থান করছেন।' উমর তরবারি হাতে ছুটে গেলেন মুহাম্মাদ -এর দিকে।



কড়া নাড়লেন সে বাড়ির দরজায়। ভেতর থেকে একজন সাহাবি দরজার ফুটো দিয়ে তাঁকে দেখলেন। তিনি আতঙ্কিত হয়ে বললেন—'হে আল্লাহর রাসূল! উমর খোলা তরবারি হাতে দরজায় দাঁড়িয়ে।' হামজা (রা.) বললেন-‘আমরা তাঁকে বরং ভেতরে আসতে

দিই । সে যদি কোনো ভালো উদ্দেশ্যে আসে, আমরাও তাঁর সাথে ভালো আচরণ করব। 



আর কোনো অনিষ্ট সাধন করতে চাইলে তার তরবারি দিয়েই আমরা হত্যা করব তাঁকে।’ নবিজি বললেন-‘তাঁকে ভেতরে আসতে দাও।' উমর যখন ভেতর প্রবেশ করলেন, নবিজি উমর (রা.)-এর দিকে ছুটে গেলেন, শক্ত করে তাঁর জামার কাপড় ধরে বললেন 'হে খাত্তাবের পুত্র! তুমি কেন এসেছ? আল্লাহর কসম! তুমি আমাকে আমার কাজে বাধা দিতে পারবে না; বরং নিজেই আল্লাহর রোষানলে পড়বে!’



 উমর বললেন—‘আমি আল্লাহ, তাঁর রাসূল ও তাঁর ওপর যা নাজিল হয়েছে, তাতে বিশ্বাস স্থাপন করার জন্য এসেছি।' এ কথা শুনে নবিজি উচ্চৈঃস্বরে তাকবির৫ দিলেন, যাতে সাহাবিগণ বুঝতে পারেন, উমর (রা.) ইসলাম গ্রহণ করে নিয়েছেন। হামজা (রা.)-এর পর উমর (রা.)-এর ইসলাম গ্রহণের ফলে ইসলাম আরও শক্তিশালী হয়। এরপর থেকে আর তাঁদের ওই বাড়িতে গোপন বৈঠকে মিলিত হতে হয়নি । বি জিনিয়াস উইথ মুহাম্মদ pdf book



শুরু হয় প্রকাশ্যে ইসলাম প্রচার । এই হচ্ছে উমর (রা.)-এর ইসলাম গ্রহণের কাহিনি। তিনি নিজেই খোলা তরবারি হাতে ছুটে গিয়েছিলেন মুহাম্মাদ -কে হত্যার উদ্দেশ্যে। কোনো মুসলমান তাঁকে তরবারি দ্বারা ইসলাম গ্রহণে বাধ্য করেনি। কারও হুমকি-ধমকির মুখে পড়ে ইসলাম গ্রহণ করেননি; এমনকী কুরআনের যে সূরার অংশবিশেষ পড়ে তিনি ইসলামের প্রতি আকৃষ্ট হয়েছিলেন, সেখানে মদ কিংবা নারীর কোনো উল্লেখই নেই।



যা লিখা ছিল

‘ত্ব-হা। আপনাকে ক্লেশ দেওয়ার জন্য আমি আপনার প্রতি কুরআন অবতীর্ণ করিনি। এটা তাদেরই উপদেশের জন্য, যারা ভয় করে। এটা তাঁর কাছ থেকে অবতীর্ণ, যিনি ভূমণ্ডল ও সমুচ্চ নভোমণ্ডল সৃষ্টি করেছেন। তিনি দয়াময়, আরশে সমাসীন হয়েছেন। নভোমণ্ডলে, ভূমণ্ডলে, এতদুভয়ের মধ্যবর্তী স্থানে এবং সিক্ত ভূগর্ভে যা আছে, তা তাঁরই । যদি তুমি উচ্চকণ্ঠেও কথা বলো, তিনি তো গুপ্ত ও তদপেক্ষাও গুপ্ত বিষয়বস্তু জানেন।' সূরা ত্ব-হা : ১-৭



উমর (রা.)-এর ইসলাম গ্রহণের ঘটনায় কোনো হুমকি-ধমকি কিংবা লোভ-লালসা ছিল না; বরং দ্বীন কবুলের ক্ষেত্রে তাঁর প্রধান অনুপ্রেরণা ছিল তওবা ও অনুশোচনা। যেখানে উমর (রা.)-এর মতো শক্তিধর

ব্যক্তিকে ইসলাম গ্রহণ করানোর জন্য তরবারি কিংবা লোভ-লালসা দেখানোর প্রয়োজন পড়েনি; সেখানে তাঁর চেয়ে শক্তি ও ক্ষমতায় কম মানুষদের ইসলাম গ্রহণের জন্য লোভ-লালসা কিংবা তরবারি প্রদর্শনের প্রয়োজন হয়েছিল- এ কথা নিতান্তই অসাড়; 



বরং সে সময়ে কুরাইশদের সামনে ইসলাম গ্রহণ করার মানেই ছিল নিজেকে তরবারির সামনে উন্মুক্ত করে দেওয়া । কেউ যদি বলে—আবু বকর, উমর, উসমান (রা.)-এর মতো ক্ষমতাসম্পন্ন ও ধনী ব্যক্তিরা হুমকির মুখে পড়ে অথবা ভোগ- বিলাসিতার লোভে পড়ে ইসলাম গ্রহণ করেছে, আর সমাজের অন্য লোকেরা সাহসী ছিল বিধায় আল্লাহ ও তাঁর রাসূলের বিরোধিতা করেছে, তবে তার কথা সর্বৈব মিথ্যা ও অগ্রহণযোগ্য।



 সুতরাং ইসলামের সাফল্য তরবারি দ্বারা আসেনি; বরং ইসলাম ছিল তখনকার যুগের দাবি। আল্লাহ তায়ালা একজন দাঈর যাবতীয় গুণাবলি দ্বারা সেভাবেই প্রস্তুত করেছিলেন তাঁর প্রিয় পয়গম্বরকে। নবিজির আহ্বানে এমন অসম্ভব অলৌকিক কিছু ছিল না, যা মানবহৃদয় বুঝতে না পেরে প্রত্যাখ্যান করেছে। আবার এমন কোনো ঐন্দ্রজালিক আকর্ষণও তাঁর মধ্যে ছিল না, যা দ্বারা অতি লোভী মানুষরা ভোগের নেশায় তাঁর আহ্বানে সাড়া দেবে; বরং তাঁর আহ্বান ছিল অত্যন্তসু স্পষ্ট।



 যাদের হৃদয় ইসলামের বাণী গ্রহণ করার জন্য প্রস্তুত ছিল, তারাই নবিজির ঐশী আহ্বানে সাড়া দিয়ে খুঁজে পেয়েছিল সঠিক পথের দিশা।




Related Keyword

মুহাম্মদ (সা) দাওয়াতের সফলতা, ইসলাম কিভাবে প্রতিষ্ঠিত হয়েছে আরবে, বাংলাদেশ কিভাবে মুসলিম দেশ হল, আল্লাহ তায়ালা,  islamic story bangla, আল্লাহর গজব,ইসলাম ধর্ম সত্য হবার প্রমাণ কি, নবী নিয়ে গবেষণা, প্রাচীন মক্কার ইতিহাস, নবী জীবনের গল্প, উমরের ইসলাম গ্রহণের ঘটনা, তলোয়ারের মুখে কি ইসলাম প্রতিষ্ঠিত হয়েছে, sotto dhormo konti,